আজ, বৃহস্পতিবার | ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ



৪র্থ শ্রেণী সরকারী কর্মচারী সমিতি চমেক আঞ্চলিক শাখার সভাপতির বিরুদ্ধে মহিলা সম্পাদিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ

৪র্থ শ্রেণী সরকারী কর্মচারী সমিতি চমেক আঞ্চলিক শাখার সভাপতির বিরুদ্ধে মহিলা সম্পাদিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারী ও বাংলাদেশ ৪র্থ শ্রেনী সরকারি কর্মচারী সমিতির চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সভাপতি মো : বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে একই হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা কর্মী মহিলা সম্পাদিকা চন্দনা পালকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী বুবু আক্তারের মধ্যস্থতায় চেক এবং স্ট্যাম্প ফেরত দেওয়ার কথা বলে তার বিশ্ব কলোনির বাসায় ১৪/০৩/২০২৫ ইং তারিখে চন্দনা পালকে নিয়ে যান। সেখানে বুলু আক্তারের সহযোগিতায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে বলে দাবি করেছেন চন্দনা পাল। এ ঘটনায়
নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে, মামলা নং ৪০/২০২৫।

বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে মেডিকেলে ওয়ার্ড মাস্টাস কামরুল ইসলাম,অফিস স্টাফ হুমায়ন কবিরকে মারধর, আইয়া, ওয়ার্ড বয়কে গালমন্দসহ প্রতি সপ্তাহ মাসে চাঁদা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
বিগত কয়েকমাস আগে সিনিয়রদের সাথে খারাপ ব্যবহার করায় বেলালকে বদলি করা হলেও সে আদেশ অমান্য করে উল্টো বদলির আদেশের বিরুদ্ধে মামলা করে বদলি আদেশ স্থগিত করেন। পরিচালককে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখান।

জানা যায় তিনি চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেন। আগে আওয়ামী লীগের সাথে রাজনীতি করলেও ৫ আগস্টের পর সরকার পরিবর্তনকে কাজে লাগিয়ে এখন বিএনপির নাম বিক্রি করেন। তার বড় ছেলে মেয়র ডাক্তার শাহাদাতের বাসা ভাঙ্গার মামলার আসামী।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক  ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে  যদি দোষী সাব্যস্ত হয় তাহলে  আইনানুপ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার বিরুদ্ধে আরো অনেকগুলো অভিযোগ আছে তা তদন্ত করতেছি।
চন্দনা পালসহ ভুক্তভোগীরা জানান
বেলাল হোসেনকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক। সভাপতির পদ থেকে বহিষ্কার করা হোক। স্ট্যাম্প চেক উদ্ধার করার জন্য তিনি  প্রশাসনের সহযোগিতা চান।