আজ, বৃহস্পতিবার | ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ



চকরিয়া পৌরসভার ভরামুহুরীতে সীমানা বিরোধে হামলা, আহত ৫, ভাংচুর ও লুটপাট 

চকরিয়া প্রতিনিধি

চকরিয়া পৌর এলাকায় বসতভিটার সীমানা বিরোধে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় আহত হয়েছে বৃদ্ধা ও নারীসহ ৫জন। চকরিয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ভরামুহুরী মসজিদ পাড়া এলাকায় গত ১৮এপ্রিল’২৫ইং বিকাল ৩ ঘটিকার দিকে ঘটেছে এ ঘটনা।

এঘটনায় ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ হারুর পুত্র আব্দুল নবী (৭৫) বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। এতে বিবাদী করা হয়েছে একই এলাকার মৃত আহমদ ছোবাহানের পুত্র রেজাউল করিম, বেলাল উদ্দিন, জালাল উদ্দিন ও মোঃ জিয়ানুল, স্ত্রী হালিমা বেগম সহ অজ্ঞাত নামা আরো ৫/৬ জনকে।

বাদি অভিযোগে জানান, তাদের পৈত্রিক ওয়ারিশী স্বত্ব দখলীয় বসত ভিটা পূর্ব পুরুষ হতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখলে থেকে বসত ঘর করে স্ব-পরিবারে বসবাস করে  আসছেন। বসতভিটার দক্ষিণ সীমানা লাগোয়া বিবাদীদের বসত ঘর হওয়ায় দূর্গোভের বশীভূত হয়ে কিছুদিন পূর্বে হতে সীমানা ঘেঁষাঘেঁষি করে তাদের বসত ভিটার কিছু অংশ জায়গা তাহাদের বসত ভিটার সাথে মিলিত করে ফেলে। এ বিষয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণকে বিচার দায়ের করলে, বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন হাঁকাবকা ও হুমকি-ধমকি প্রদান করে। সর্বশেষ গত ১৮এপ্রিল ২৫ইং বিকাল  ৩ ঘটিকার দিকে বসতভিটার দক্ষিণ সীমানায় টিনের ঘেরা-বেড়া দেয়ার সময় বিবাদীরা  বাঁধা প্রদান করে। তাতে প্রতিবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে হাতে ধারালো দেশীয় অবৈধ অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা ও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। অভিযুক্তরা গৃহকর্তা বয়োবৃদ্ধ আব্দুল নবীর মুখের দাঁড়ি পর্যন্ত টেনে ছিড়ে ফেলে। হামলায় আহত হয়েছেন আব্দুল নবী (৭৫), ভাতিজা আবদুল মোমেন ( ২১), স্ত্রী লায়লা বেগম(৬০), মেয়ে মিনা আক্তার(২৪), ছেলে শহিদুল ইসলাম(৩৩)।

হামলায় আবদুল মোমেন ( ২১)র ডান হাতের তালুতে স্বজোরে কোপ লেগে গুরুতর হাঁড়কাটা জখম হয়।ফলে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। পরিবারের নারী সদস্যরা এগিয়ে গেলে তাদের উপরও হামলা ও শ্লীলতাহানি করে। ঘটনার সময় লুট করে নিয়ে যায় পানির ব্যবসার নগদ ২৩ হাজার ৮শত টাকা, একটি ১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন, যার মূল্য ১লাখ ৩০হাজার টাকা, সীমানার টিনের ঘেরা-বেড়া ভাংচুরে ১২হাজার টাকার ক্ষতি হয়। আহতদের উদ্ধার করে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছে।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানার উপপরিদর্শক মোঃ খাইর উদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।