
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে , মহিউদ্দিন ও আমি মালেশিয়াতে একই কোম্পানিতে চাকরি করতাম। তিনি থাকতেন ভিন্ন বাসায় । গত ১২ মার্চ কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরার সময় মালশিয়ান পুলিশ(ভিসা ছাড়া) অবৈধভাবে বসবাস করার অপরাধে মহিউদ্দিন আটক করে । পরবর্তীতে আটকের ২-৩ ঘন্টার মধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জরিমানা দিয়ে মহিউদ্দিনকে মুক্ত করে তার আত্মীয়রা।কিন্তু চাকরিরত কোম্পানিতে কাজ করতে গেলে পুলিশের অভিযোগের কারণে কোম্পানি আর চাকরিতে গ্রহণ করেনি । উক্ত চাকরিচ্যুতির ক্ষোভ থেকে আমার বিরুদ্ধে সন্দেহের তীরে এসব
অপপ্রচার ও মিথ্যাচার শুরু করেছে। মহিউদ্দিন ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে আমাকে প্রতিনিয়তই নানাধরণের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে ।
আমার পরিবার মহিউদ্দিনের পিতার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি পুলিশের কাছে জরিমানা দিয়ে মুক্ত হয়েছে বলে মুঠোফোনে শিকার করেন, যাহা আমাদের কাছে কল রেকর্ড সংরক্ষণ আছে।
সংবাদে উল্লেখিত মানবপাচার, একাধিক গলাকাটা পাসপোর্ট, ট্যুরিষ্টে লোক নেয়া এগুলোর কোনটির সাথে আমার বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই। আর এখানে অপহরণের মত কোন ঘটনা ঘটেনি। মালেশিয়ার জঙ্গলের ভেতরে আটকে রাখার কথাও সঠিক নয়। মুলতঃ মহিউদ্দিন তার ভাইয়ের কাছেই আছে। সেখান থেকে প্রতিনিয়ত বাড়িতেসহ সবার সাথে মোবাইলে কথা বলছে। অপরদিকে আমিও মালেশিয়ায় এসেছি আমার এক ভাইয়ের মাধ্যমে ভীশা নিয়ে। এগুলো ঘোলা পানিতে মাছ শিকার ও তীলকে তাল বানানো ছাড়া কিছুই নয়।
অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবো । তাই মিথ্যাচার নিয়ে মালেশিয়ায় অবস্থানরত বন্ধু মহল ও আমার এলাকার লোকজন ও আত্বীয় স্বজনকে কোনরূপ বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি এবং মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী:
আব্দুল হামিদ, (মালশেয়া প্রবাসী)
ছাইরাখালী, ৯নং ওয়ার্ড, ফাঁসিয়াখালী, চকরিয়া, কক্সবাজার।



© 2021 - All Rights Reversed Coxs TV | Web Developed by Hostbuzz Inc