আজ, শুক্রবার | ২১শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ



চকরিয়া থানা সেন্টারে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে দুইটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নগদসহ ৩৩লাখ টাকার মালামাল লুট

চকরিয়া প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজারের চকরিয়া থানা সেন্টারে গভীর রাতে যুবলীগ নেতা জমির উদ্দনের নেতৃত্বে দুইটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রাতের আধারে তালা কেটে সিন্ধুকে রক্ষিত নগদ টাকাসহ মালামাল লুট, ভাংচুর ও জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে।শুক্রবার ১৭ নভেম্বর ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় দোকান মালিক মরহুম হাজী আবদু শুকুরের পুত্র আব্দুল হাকিম বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। এতে অভিযুক্ত করা হয়েছে যুবলীগ নেতা জমির উদ্দিনসহ ১১জনকে। জমির উদ্দিন চকরিয়া পৌর এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের ভরামুহুরী হাজী পাড়ার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ও পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি।
অন্যান্য আসামী মোঃ কছির উদ্দিন(২২) পিতা
মৃত কামাল উদ্দিন, মোঃ শেফায়েত হোসেন(২০) পিতাঃ মৃত কামাল উদ্দিন, মোঃ জয়নাল আবেদীন(৫৫) পিতা মৃত আবুল কাশেম, মৌঃ হাশেম(২০) পিতা অজ্ঞাত, সর্বসাং রামুহুরী, মৌলভী পাড়া, ৪নং ওয়ার্ড, চকরিয়া পৌরসভা, আবদু জলিল(২৮) পিতা মৃত সুলতান আহমদ, সাং-কাহাবিয়াঘোনা, ৬নং ওয়ার্ড, চকরিয়া পৌরসভা সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে।

বাদী আবদুল হাকিম অভিযোগে জানান, চকরিয়া থানার পূর্বপাশ্বে পৌর ৪নং ওয়ার্ড ভরামুহুরী হিন্দুপাড়া রোডের মধ্য সংলগ্ন বাদীর মালিকানাধীন হাকিম এন্ড সন্স মুদির দোকানের গোডাউন ও ভাড়াটিয়া আব্দুল আজিজের ফার্নিচারের দোকানঘরে ১৭নভেম্বর শুক্রবার রাত অনুমানিক ২ ঘটিকা হইতে ২.৩০ ঘটিকার দিকে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা জমির উদ্দিনের নেতৃত্বে দেশীয় অবৈধ অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একটি অজ্ঞাতনামা পিকআপ গাড়ী নিয়ে দুইটি দোকান ও গোডাউনের তালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে ব্যাপক লুটপাট চালায়। এক পর্যায়ে সিন্ধুকের তালা ভেঙ্গে ব্যবসায়িক রক্ষিত নগদ সাড়ে ১৫ লাখ টাকা, বিভিন্ন পাইকারী ব্যবসায়ীদের দেয়া ৮/১০টি চেক ও দলিলপত্র এবং গোডাউনে রক্ষিত ১০০ বস্তা চিনি যার মূল্য ৬লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ১৫০ বস্তা চাউল মূল্য সাড়ে ৫ লাখ টাকা লুট করে। একইভাবে ভাড়াটিয়া দোকানের মালিক আব্দুল আজিজ গ্রিলের ফার্ণিচারের দোকানে রক্ষিত প্রায় ৬ লক্ষ টাকার ফার্ণিচার সামগ্রীসহ সর্বমোট ৩৩,২০,০০০/- টাকার মালামাল লুণ্ঠন করে নিয়ে যায়।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, ঘটনার বিষয়ে প্রথমে মৌখিক ও পরে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ইন্সপেক্টর (তদন্ত) অরূপ কুমার চৌধুরীর নেতৃত্বে নেতৃত্বে পুলিশ টীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।