আজ, শুক্রবার | ২১শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ



চকরিয়ায় অভিযানে আটক মজিদিয়া মাদরাসার সুপার নুরুল আবছার ছিদ্দিকী জেল হাজতে

চকরিয়া প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে আটক হওয়া চিরিঙ্গা মজিদিয়া দারুচ্ছুন্নাহ পৌর দাখিল মাদরাসার সুপার নুরুল আবছার ছিদ্দিকীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত। নুরুল আবছার ছিদ্দিকী চকরিয়া পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম দিগরপানখালী গ্রামের মৃত ছিদ্দিক আহমদের পুত্র। বিএনপি-জামায়াতের ডাকা অবরোধের প্রথম দিন ৩১অক্টোবর’২৩ইং ভাঙ্গারমুখ এলাকায় ভোর সকালে সড়কে টায়ার জালিয়ে নাশকতা চেষ্টার প্রস্তুতির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করে। থানা পুলিশ ও বিজিবি টহল টীম এ অভিযান চালায়। ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে চলতি সনের ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবসের দিন চকরিয়ায় জামায়াত নেতা মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর গায়েবানা জানাজা পরবর্তী পুলিশের উপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা ও সরকারি গাড়ী ভাংচুরের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ঘটনার দুইটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। চকরিয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ জাহিদ হোসাইন তাকে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাবেদ মাহমুদ জানান, বিএনপি-জামায়াতের ডাকা তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচিতে মহাসড়কে নাশকতা প্রতিরোধে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নেত্বত্বে পুলিশ ও বিজিবির টহল জোরদার করে। পরিবেশ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বাত্বক প্রস্তুতি রয়েছে প্রশাসনের। তারই ধারাবাহিকতায় সড়কে টায়ার জালিয়ে নাশকতা চেষ্টার প্রস্তুতিকালে মাদরাসা সুপার মৌলানা নুরুল আবছার ছিদ্দিকীসহ ৩জনকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ্দ করা হয়েছে। তাদেরকে গায়েবানা জানাজা পরবর্তী পুলিশের উপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা ও গাড়ী ভাংচুরের দুইটি মামলা যথাক্রমে চকরিয়া থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নং-২৭, জি আর ৩৯৮/২৩ তারিখ ১৬ আগস্ট-২০২৩ এবং পুলিশ এসল্ট মামলা মামলা নং-২৮, জি আর ৩৯৯/২৩ তারিখ ১৬ আগস্ট-২০২৩ এ গ্রেফতার দেখিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (উপপরিদর্শক) কামরুল ইসলাম ফরোয়ার্ডিং সহকারে ধৃত আসামীদেরকে আদালতে প্রেরণ করেন।
উল্লেখ্যযে, বিগত ২অক্টোবর’২২ইং নিজগ্রাম পশ্চিম নিজপানখালী এলাকায় একটি মারামারির মামলায় উক্ত মজিদয়া দারুচ্ছুন্নাহ পৌর দাখিল মাদরাসার সুপার মৌলানা নুরুল আবছার ছিদ্দিকীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন একই আদালত। পরে জামিনে মুক্তিপান তিনি।