আজ, বুধবার | ২৪শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ



চকরিয়ার হারবাংয়ে স্কুল ও কমিটির সদস্যদের নাম অপপ্রচারে এলাকাবাসীর ক্ষোভ প্রকাশ

চকরিয়া প্রতিনিধিঃ

চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের উত্তর হারবাং ভিলেজার পাড়া এলাকায় স্কুলের নাম ভাঙ্গিয়ে জমি জবর দখল চেষ্টা, ঘেরাবেড়া ভাংচুরসহ নির্মাণ সামগ্রী লুট”শীর্ষক গত ৩মার্চ’২৩ দৈনিক ইনানীসহ বিভিন্ন সংবাদ ও অনলাইন মাধ্যমে প্রচারিত মিথ্যা সংবাদ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধি, বিদ্যালয় কমিটি, সচেতন মহল ও এলাকাবাসী।

সংবাদে উল্লেখিত উত্তর হারবাং ভিলেজার পাড়া গ্রামের ওয়ায়েজ উদ্দিনের পুত্র শফিকুল ইসলাম (৫৫),
মৃত আবদুল গণির পুত্র মফিজুর রহমান (৫৩), মৃত দলিল বকসু মেস্ত্রীর পুত্র মোঃ মহিউদ্দিন (৪৩), মৃত আহমদ কবিরের পুত্র মোঃ শিহাব উদ্দিন (৩৫)সকলেই উত্তর হারবাং জনকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাথে সম্পৃক্ত।

 অভিযোগে জানাগেছে, সংবাদে উল্লেখিত মৃত আহাম্মদ হোছাইনের স্ত্রী মমতাজ বেগম, কন্যা মেহেরুন্নিছা (৩৯), পুত্র মহি উদ্দিন (৪৮), কন্যা জন্নাত আরা (৪৯), পুত্র আব্বাস উদ্দিন (৪৭) ও জাবের হোসেন (৪২) গনের উত্তাপিত অভিযোগ সঠিক নয়। তাদের মালামাল লুটপাটের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তাও সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। যা সরে জমিনে গিয়ে জনপ্রতিনিধিসহ কেউ সত্যতা পায়নি। তাদের পৈত্রিক ওয়ারিশী সূত্রে যে ৭০শতক পরিমাণে জমি-জমার কথা বলা হয়েছে, তা কোথায় আছে, কিভাবে আছে তা তাদের নিজস্ব বিষয়।এগুলো নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ-আপত্তি নেই।

অভিযোগ উঠেছে, জমির মূল মালিক মৃত আহাম্মদ হোছাইনের স্ত্রী মমতাজ বেগম স্থানীয় হারবাং ভিলেজারপাড়া স্কুলের নামে বিগত 2000সালে হারবাং মৌজার বিএস খতিয়ান নং ১৮৫৮ থেকে ৩৩শতক  জমি দানপত্র মূলে সাফ কবলায় রেজিস্ট্রি সহ স্কুলকে দখল বুঝিয়ে দেন। ফলে স্কুলকে দানপত্রের উল্লেখিত বিএস দাগ মূলে জমি পরিমাপ করে বুঝিয়ে দিতে পারলে স্কুল কর্তৃপক্ষের কোন আপত্তি থাকবেনা। রেজিস্ট্রির সময় বেদখলে থাকা টাকা নিয়ে তাদের দানপত্র দেয়া জমির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় স্কুলের জমির প্রতি লুলোপ দৃষ্টি পড়েছে। এমনকি স্কুল লাগোয়া পাহাড়ী টিলা জমি কাটার কারণে স্কুল ভবন হুমকির মুখে পড়েছে, স্কুল ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে। স্কুলের আশপাশে প্রায় তিন কিলোমিটার জুড়ে কোন স্কুল না থাকায় এ স্কুলে এলাকার শতশত অসহায় পরিবারের সন্তানরা লেখাপড়া করেন। শিক্ষার প্রসারও ঘটছে। স্কুল রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজন ও এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে একের পর এক থানা, আদালত ও ইউনিয়ন পরিষদে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে যাচ্ছে। কিন্তু সরে জমিনে তদন্তে স্কুলে পক্ষে ছাড়া আর কিছুই পাননা। এ স্কুলের জন্য মাননীয় চকরিয়া-আসনের এমপি মহোদয়, উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয়গন সহযোগিতা করে আসছেন। এমপিওভুক্ত না হলে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে প্রতি বছর সরকারি পাঠ্য বই বরাদ্দ প্রদানসহ সরকারি সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছেন।

স্থানীয় হারবাং ইউপি চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন মিরাজ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবহিত হয়েছেন। যারা জমি মালিক দাবী করতেছেন তারা ওই এলাকাতেও থাকেননা। অভিযোগকারী পরিষদের দুয়েক বৈঠকে আসলেও পরবর্তীতে আর বিচারে আসেনা। মুলতঃ স্কুলটি প্রতিষ্ঠা হয়েছে বিগত ২৩ বছর পূর্বে (2023সালে)। এলাকার শিক্ষার প্রসারে স্কুলের বিকল্প নেই। এরপরও বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে জানান।