আজ, সোমবার | ৪ঠা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ



চকরিয়ার মালুমঘাটে বোনদের সম্পত্তির অংশ না দিতে জমি থেকে পাকা পিলার ও মালামাল লুট ও ভাংচুর

চকরিয়া প্রতিনিধিঃ
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের পূর্ব সাতঘর পাড়া গ্রামে বোনদের সম্পত্তির অংশ না দিতে বোনদের পৈত্রিকপ্রাপ্ত জমিতে গিয়ে হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়েছে। ১৪জানুয়ারী’২৩ইং রাত আনুমানিক ০১.৩০ ঘটিকার দিকে ঘটেছে এ ঘটনা। এনিয়ে ক্রয়সূত্রে জমি মালিক মোঃ হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (২০) বাদী থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
এতে অভিযুক্ত করা হয়েছে; লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২৮৬নং ফাঁসিয়াখালী মৌজা হায়দার নাশি গ্রামের বাসিন্দা জমি বিক্রেতাদের আপন সহোদর মৃত আবদুর রহমানের পুত্র রবিউস হাসান (২২) ও আনোয়ার হোছন (১৯) সহ অজ্ঞাত নামা আরো ৭/৮ জনকে।

অভিযোগে জানাগেছে, চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের পূর্ব সাতঘর পাড়ার রিংভং মৌজার বি. এস ১৫২নং খতিয়ানের ৭৯৪, ৭৯৫ দাগের ১৩.৩৩ শতক জমি মৃত আবদুর রহমানের ওয়ারিশ স্ত্রী ও দুই কন্যার কাছ থেকে রেজিস্ট্রি মূলে ক্রয় করেন কাকারা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড পুলের ছাড়া গ্রামের মরহুম কামাল উদ্দিনের পুত্র দুবাই প্রবাসী মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। যার রেজিঃ দলিল নং- ৮৪৯৫, তাং- ১৩/১২/২০২২ইং। উক্ত জমি খরিদের পর হতে জমির সীমানার চারিদিকে পাকা পিলার, তারের ঘেরা-বেড়া দিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখলে থাকেন। জমি বিক্রেতাসহ সকল ওয়ারিশরা উপস্থিত থেকে দখল বুঝিয়ে দেন।
অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্তরা লোভের বশিভূত হয়ে পৈত্রিকপ্রাপ্ত অংশিদার বোনের সম্পত্তির অংশ দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠে। জমি ক্রেতা প্রবাসে থাকার সুযোগে বর্ণিত ঘটনাস্থলের জমিতে নির্মিত পাকা পিলার ইট, কাটা তার ভাংচুর ও লোহা- সিমেন্ট সামগ্রী লুট করে। হাতে অবৈধ বন্দুক, কিরিচ, লোহার রড, লোহার হাতুড়ী, লাঠি ইত্যাদি মারাত্মক দেশীয় অবৈধ অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনী জনতা ভাড়ায় এনে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। অভিযুক্তরা ৭৪ কেজি লোহার রড়,২০ বস্তা সিমেন্ট, ৩৬টি পাকা পিলার ও কাটা সিকলসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। বর্তমানেও ঘটনাস্থলের জমিতে জোর পূর্বক উচ্ছেদ করবে বলে হুমকি দেন।ক্ষতিগ্রস্তরা প্রশাসনের কাছে আইনি সহায়তা কামনা করেছেন।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, ঘটনার বিষয়ে দেয়া অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিতে থানার একজন উপপরিদর্শককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।