আজ, সোমবার | ৪ঠা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ



চকরিয়ার লক্ষ্যারচরে সীমানা বিরোধে হামলা, স্বাস্থ্য পরিদর্শিকাসহ আহত ৩ সংবাদের প্রতিবাদ

চকরিয়ার লক্ষ্যারচরে জমির সীমানা বিরোধে হামলায় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কেন্দ্রের পরিদর্শিকাসহ আহত ৩ শীর্ষক সম্প্রতি সময় থেকে বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন কাল্পনিক ও উদ্যোশ্য প্রণোদিত। সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোন মিলনাই।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে; উল্লেখিত মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী ও লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কেন্দ্রের এফ.ডব্লিউ.ভি তসলিমা খানম মিনুর অত্যাচারে অতিষ্ট আত্বীয় স্বজন ও পাড়াপ্রতিবেশী।অন্যদিকে সোহারাব হোসাইন নান্নু দুই বারের সফল একজন মেম্বার (এমইউপি)। তাহার পরিবারের সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য এসব মিথ্যাচার করা হয়েছে। উল্লেখিত মিনু লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন স্বাস্হ্য কেন্দ্রে অবৈধ কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কেউ সাহস পাচ্ছেনা। সে তার মা এবং ছোট বোনকে জুতা পেটা করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এনিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ, চকরিয়া থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে পর্যন্ত তাদের মা মেয়ের পাল্টা -পাল্টি অভিযোগ রয়েছে। তা এখনো কোন সুরহা করতে পারেনি, কারন তার পুরো পরিবার মানসিক ভারসাম্যহীন বলে এলাকায় পরিচিতি লাভ করেছে।মিনু তার আপন মাকে জুতা পেটা করার ভিডিও ও তার ঘর জামাইকে জুতা পেটা করার ভিডিও এলাকার প্রায় সচেতন নাগরিকের কাছে আছে। যা তার বোন জেরিন ভিডিও করে সবাইকে দিয়েছে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো উল্লেখিত লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কেন্দ্রের এফ.ডব্লিউ.ভি তসলিমা খানম মিনু সামান্য বেতনে চাকরি করে কিভাবে দুই তলা বিল্ডিং ঘর ও মেয়েকে প্রায়ভেট মেডিকেলে প্রায় ৫০,০০০০০ টাকা খরচ করে পড়াশোনা করায়! এই আয়ের উৎস কোথায়?। মিনুর অত্যাচারে অতিষ্ট ও নির্যাতিত হয়ে আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে চকরিয়া থানায় এজাহার দায়ের করেছি। তাই প্রকাশিত উক্ত মিথ্যা সংবাদ নিয়ে প্রশাসন ও এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি এবং মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী:
পরিবারের পক্ষে-
জাহেদ হোসাইন চৌধুরী ইরফান
পিতা: মরহুম মোঃ ইসমাইল চৌধুরী
সাং রুস্তম আলী চৌধুরী পাড়া ৩নং ওয়ার্ড,
লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন, চকরিয়া, কক্সবাজার।