আজ, সোমবার | ২২শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ



চকরিয়া থানা রাস্তার মাথায় ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটের দেয়াল ভেঙ্গে পড়ে আহত ৩, ব্যাপক ক্ষতি

চকরিয়া প্রতিনিধিঃ
চকরিয়া পৌর সদরের থানা রাস্তার মাথার উত্তরপূর্ব পার্শ্বে ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটের দেয়াল পাশ্ববর্তী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর বাতাশে ভেঙ্গে পড়ে ৩জন আহত হয়েছে, এতে ৪লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে।২১মে’২২ইং সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকার দিকে
দোকানের ভাড়াটিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বার আউলিয়া নগর গ্রামের বাসিন্দা সুরত আলমের ছেলে মাহামুদুল করিম বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

এতে অভিযুক্ত করা হয়েছে; পাশ্ববর্তী পাকা দোকান ভবনের মালিক চকরিয়া পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড হাসপাতাল পাড়ার বাসিন্দা মৃত হাজী মোজাহের আহামদের পুত্র মোঃ সোলাইমান (৫০)কে।
অভিযোগে জানাগেছে, চিরিঙ্গা হাসপাতাল পাড়া এলাকার মৃত মোঃ দানু মিয়ার পুত্র আবুল কাশেম প্র: কাছিম আলীর মালিকানাধীন থানার রাস্তার মাথার উত্তর-পূর্ব পাশে ২নং সাক্ষীর একটি সেমি পাকা টিনসেট দোকানঘর ভাড়ায় নেন মাহামুদুল করিম। উক্ত দোকানে মেশিনারী ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
অপরদিকে বাদীর দোকানের উত্তর পাশে অভিযুক্ত বিবাদী মোঃ সোলাইমানের একটি ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেট রয়েছে। ইতিপূর্বে বিবাদী তাহার মার্কেটের ২য় তলায় বিল্ডিং এর দক্ষিণ সীমানায় দূর্লোভের বশীভূত হয়ে বিল্ডিং এর সামসেট পার করে ঝুঁকিপূর্ণ দেয়াল নির্মাণ করে। তাতে বাদী পক্ষ বাঁধা নিষেধও করেন। কিন্তু বাঁধা নিষেধ অমান্যতা করে স্থানীয় প্রভাব বিস্তার দেখিয়ে
পাকা দেওয়াল নির্মাণসহ বিভিন্ন ভাবে হাঁকাবকা ও হুমকি-ধমকি প্রদর্শন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২১মে’২২ইং সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকার সময় প্রবল বৃষ্টি ও বাতাস হলে অভিযুক্ত বিবাদীর নির্মিত প্রায় ৫০ ফুট বিশিষ্ট পাকা দেওয়াল বাদীর সেমি পাকা টিনসেট ওয়ার্কশপ দোকানের উপর পড়ে দোকানের চাল সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে যায় ও দোকানের উত্তর সীমানার ২টি পাকা দেওয়াল
ভেঙ্গে গিয়ে ২লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন হয়। এসময় ভেঙ্গে পড়ে পাকা দেয়ালের আঘাতে দোকানে থাকা ৩ জন ক্রেতা ও দোকানের কর্মচারী মোঃ কাইছার (১৭) এবং বাদীর সর্বশরীরে জখমপ্রাপ্ত হয়। এছাড়া দোকানের বিভিন্ন মেশিনারী মালামাল ভেঙ্গে আরো ২লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন হয়। পরে স্থানীয় লোকজন চারিদিক হতে দৌঁড়াইয়া গিয়ে আহতদের উদ্ধার করেন।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মোঃ জুয়েল ইসলাম জানান, ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করার জন্য একজন উপপরিদর্শককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।